( সাফল্য কথা )
দক্ষিন দিনাজপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর উদ্যোগে মামলিকা পারভিন বিদ্যালয় মুখী হয়েছে
-------------
দক্ষিন দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর ব্লকের মির্জাপুর গ্রামের জিল্লুর রহমানের নাবালিকা কন্যা মামলিকা পারভিন অচেনা অজানা ফোন নম্বর থেকে ফোন আসার পর থেকে দক্ষিন দিনাজপুর জেলার তপন থানার রামচন্দ্রপুর জিপি,র এক ছেলের ভালবেসে ফেলে ১৫ বছর বয়সে , বাড়ির লোকজনের অজান্তে মামলিকা বাড়ি ছেড়ে চুপি সারে চলে যায় ।
বাড়িতে মেয়েকে না পেয়ে আমাকে জানালে আমি থানায় নিয়ে গিয়ে MISSING COMPLAIN করে দিতে সহায়তা করি ।
মাইনর মেয়ে হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গেই FIR হয় ।
ইনভেস্টিগেশন অফিসার আলফোস কাবো মহাশয় এর সংগে আমি অধিকার মিত্র গোলাম রাব্বানি যোগাযোগ করি , IO আলফস বাবু দ্রুততার সঙ্গে মামলিকা কে উদ্ধার করে CWC তে পাঠান ,
CWC ও কোর্টের কাজ শেষে মেয়েকে মা নুরুফা বিবি বাড়িতে নিয়ে আসেন ,
মামলিকা কিছুদিন চুপচাপ থাকতে পছন্দ করতো , বারবার জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর থেকে আমি অধিকার মিত্র তথা পি এল ভি গোলাম রাব্বানি মামলিকা সহ পরিবারের লোকজনের সংগে কথা বলি ।
মামলিকা পড়া শোনার জন্য আগ্রহ জাগানোর জন্য চেষ্টা করা হলে মামলিকা পড়া শোনা চালিয়ে যাবেন বলে জানান ,
মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে ভালো ভাবে পাশ করে, বর্তমানে একাদশ শ্রেণিতে অধ্যায়ন করছে । আরও পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চায় । এখন বিয়ের কথা শুনতে চায়না এক বছর পার হয়ে গেছে।
দক্ষিন দিনাজপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর উদ্যোগে বারবার চেষ্টা করার জন্য এক অল্প বয়সী কিশোরী মামলিকা বিদ্যালয় মুখী হয়েছে ।
এখন বিয়ের কথা দুরের কথা , সে অন্যদের বিয়ের কুফল প্রচার করে থাকে ।
নাবালিকা বিয়ে বন্ধ সহ পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের যোগাযোগ করে মামলিকা উদ্ধার এবং অল্প বয়সী মেয়ের বিবাহ থেকে সরে মূল স্রোতে ফিরে আসার জন্য মামলিকার বাবা জিল্লুর রহমান মা নুরুফা বিবি সহ গ্রাম প্রতিবেশীরা সকলে দক্ষিন দিনাজপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ কে ধন্যবাদ জানালেন ।
মামলিকার মা নূরুফা বিবি ও ঠাকুর দা ফয়জুর বাবু আমাকে ধন্যবাদ জানালেন।
আমি খুশি এবং গর্বিত আমি জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর একজন অধিকার মিত্র তথা পি এল ভি হিসেবে