Search This Blog

Showing posts with label SUCCESS STORY JULY-2025. Show all posts
Showing posts with label SUCCESS STORY JULY-2025. Show all posts

Tuesday, July 29, 2025

Success story of Adhikar Mitra named Golam Rabbani

" Success Story "



বিদ্যালয় ছুট বিদ্যালয় মুখি করা হয়েছে দক্ষিন দিনাজপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর পক্ষ থেকে ।
সুবিনাথ হাঁসদা 
পিতা - অমল হাঁসদা 
মাতা - জোস্না মার্ডি 
গ্রাম -প্রাণসাগর 
  থানা -গঙ্গারামপুর 
জেলা - দক্ষিন দিনাজপুর
 বিদ্যালয় যাওয়া  বন্ধ করে দেয় সুবিরাম হাঁসদা ।
জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর পক্ষ থেকে আমি অধিকার মিত্র তথা পি এল ভি গোলাম রাব্বানি বার গিয়ে পড়াশোনার না করলে কুফল সম্পর্কে সচেতন করা হয় ।
অভিভাবক সহ প্রতিবেশী দের এবং বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে তাদের কে নিয়ে বার বার বোঝানোর ফলে সুবীরাম বর্তমানে বিদ্যালয়ে নিয়মিত যাচ্ছে এবং মনোযোগ দিয়ে লেখা পড়া চালিয়ে যাচ্ছে ।
জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর উদ্যোগের ফলে  সুবিরম বিদ্যালয় মুখি হওয়ায় প্রচন্ড খুশি হয়েছেন এবং দক্ষিন দিনাজপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন ।
 অত্যন্ত গর্বিত যে আমি অধিকার মিত্র তথা পি এল ভি গোলাম রাব্বানি জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ এর অংশ হিসেবে এই মানবিক কাজে অবদান রাখতে পেরেছি ।

Success story of Adhikar Mitra named Golam Rabbani

সাফল্যের কথা

জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের আন্তরিক সহায়তায় খুঁজে পাওয়া গেল সাইফি মাহিম ইসলামকে

গত ২৬শে জুন, ২০২৫ তারিখে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গঙ্গারামপুর থানার অন্তর্গত রঘুনাথপুর কালদিঘির বাসিন্দা সাইফি মাহিম ইসলাম (পিতা: সরিফুল ইসলাম, মাতা: মুনমুন সরকার) প্রাণসাগর আদর্শ একাডেমি থেকে হঠাৎ নিখোঁজ হয়ে যায়।

রাতভর খোঁজাখুঁজির পরেও পরিবারের সদস্যরা কোথাও তার সন্ধান পাননি। আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিতদের বাড়িতেও খোঁজ নিয়েও কোনো খবর মেলেনি। ফলে পরিবারের মধ্যে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি হয়।

পরদিন সকালবেলা বিষয়টি জানানো হলে আমি, গোলাম রাব্বানী, অধিকার মিত্র (PLV), জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ, দক্ষিণ দিনাজপুর – সঙ্গে সঙ্গে থানায় মিসিং ডায়েরি করার পরামর্শ দিই ও বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নেওয়ার জন্য পরামর্শ দিই।

২৭শে জুন যখন পরিবারের লোকজন ডায়েরি করতে যাচ্ছিলেন, সেই সময় এক আনন্দ সংবাদ আসে—একজন ট্যাক্সিচালক সাইফিকে কলকাতায় পেয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন। পুলিশ পরে তাকে কলকাতা শিশু সুরক্ষা কমিটির (CWC) কাছে হস্তান্তর করে এবং তাঁরা সাইফিকে পুটারি হোম-এ রাখেন।

সংবাদটি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সাইফির পরিবার ও আমি যোগাযোগ করি আমাদের সুপরিচিত মাননীয় কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি উদয় কুমার মহাশয়ের পার্সোনাল সিকিউরিটি অফিসার বাবুন দাস মহাশয়ের সঙ্গে। তিনি দ্রুত বিষয়টি কলকাতা CWC-এর সঙ্গে সমন্বয় করে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করেন এবং অভিভাবকদের জানান।

এরপর আমি যোগাযোগ করি দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা শিশু সুরক্ষা কমিটির সম্মানীয় সদস্য সুরজ দাস মহাশয়ের সঙ্গে। তিনি আন্তরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন এবং দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে প্রয়োজনীয় রিপোর্ট প্রেরণ করা হয়। রিপোর্ট যাচাইয়ের পর কলকাতা শিশু সুরক্ষা কমিটি সাইফিকে তাঁর অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করে।

অবশেষে সাইফি মাহিম ইসলাম নিরাপদে ফিরে আসে। অভিভাবকগণ আনন্দে আপ্লুত হন এবং জেলার সংশ্লিষ্ট সমস্ত দপ্তরের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

🙏 কৃতজ্ঞতা প্রকাশ:

আমি, গোলাম রাব্বানী,
অধিকার মিত্র/পি.এল.ভি,
জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ, দক্ষিণ দিনাজপুর

অত্যন্ত গর্বিত যে, জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের অংশ হিসেবে এই মানবিক কাজে অবদান রাখতে পেরেছি। বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা জানাই—

মাননীয় বিচারপতি উদয় কুমার মহাশয়ের PSO বাবুন দাস মহাশয়কে।

দক্ষিণ দিনাজপুর শিশু সুরক্ষা কমিটির সদস্য সুরজ দাস মহাশয়কে।

যাঁদের নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা ও আন্তরিকতায় একটি শিশুকে সুরক্ষিতভাবে তার পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

সতত মানবিকতাই আমাদের পথপ্রদর্শক।
সকলকে ধন্যবাদ।
 গোলাম রাব্বানি

Friday, July 25, 2025

Success story of Adhikar Mitra named Soma Pal Saha & Puja Das

মল্লিকা হাঁসদা 
পিতা - মহেশ হাঁসদা
সাং - ঝিনাইপোতা 
পোস্ট- বিরোহিনী 
থানা-বালুরঘাট
জেলা -দক্ষিন দিনাজপুর,
নবম শ্রেণীতে  পড়তে পড়তে ড্রপ আউট ছিল এক বছর থেকে আমরা কয়েকবার  যোগাযোগ করেছি মেয়ের বাবা মার সঙ্গে কথা বলে মেয়েটিকে স্কুলে যাওয়ার জন্য রাজি করে স্কুলে  পাঠানোর  সমস্ত ব্যবস্থা করি। ও  স্কুল কে বলে মেয়ে টির কাস্ট সার্টিফিকেট এর সমস্যার সমাধানের ব্যবস্থা করা হয়।
PLV/ADHIKAR MITRO 
SOMA PAL SAHA AND PUJA DAS

Success story of Adhikar Mitra named Juthika Barman and Dipa Das

টুম্পা মাহাতো 
পিতা -উৎপল মাহাতো 
মাতা-টুকুর মাহাতো 
সাং -ধুলা তোর 
পোস্ট- আত্রাই 
থানা-পতিরাম 
জেলা -দক্ষিন দিনাজপুর
সপ্তম শ্রেণীতে  পড়তে পড়তে ড্রপ আউট ছিল এক বছর থেকে আমরা কয়েকবার  যোগাযোগ করেছি মেয়ের বাবা মার সঙ্গে কথা বলে মেয়েটিকে স্কুলে যাওয়ার জন্য রাজি করে স্কুলে  পাঠানোর  সমস্ত ব্যবস্থা করি।
PLV/ADHIKAR MITRO 
JUTHIKA BARMAN 
DIPA DAS

Thursday, July 10, 2025

Success Story of Adhikar Mitra named Abdul Rashid Mia, Back to School Initiative : Anisha Khatun

মেয়েটির নাম আনিষা খাতুন।
পিতা হাচান মিঞা।
সাং নরসুন্দর পাড়া। পোঃ ফুলবাড়ী।
থানা গঙ্গারামপুর।
জেলা দক্ষিন দিনাজপুর।
মেয়টি লেখাপড়া ছেড়েদিয়ে বাবা ও সৎ মা এর সঙ্গে ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়েছিল। বহু দিন থাকার পর এখন বাড়ি এসেছে আবার যাবে বলে ঠিক হয়েছে। কিছু দিন থেকে মেয়েটিকে ও তার পরিবারকে বুঝিয়ে আজ মেয়ে টিকে নিয়ে গিয়ে ফুলবাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম মহাশয়ের সঙ্গে কথা বলে মেয়েটিকে স্কুলমুখি করা হলো ও কন্যাশ্রি প্রকল্পে নাম নথিভুক্ত করার ব্যাপারে আলোচনা করা হলো।
ব্যাবস্থাপনায় আব্দুল রশিদ মিঞা
পি এল ভি (অধিকার মিত্র) অধীন দক্ষিন দিনাজপুর জেলা আইনি পরিসেবা কতৃপক্ষ।
তাং ইং 10/07/2025 


Anisha Khatun: Back to School Initiative

Anisha Khatun, daughter of Hasan Mia, residing at Narsundar Para, P.O. Fulbari, P.S. Gangarampur, District Dakshin Dinajpur, had previously dropped out of school to work in another state with her father and stepmother.

After an extended period, Anisha has returned home. Although there were plans for her to go back to work in another state, through the efforts of Abdul Rashid Mia, PLV (Adhikar Mitra) under the Dakshin Dinajpur District Legal Services Authority, Anisha and her family were counselled.

Today, July 10, 2025, Anisha was successfully encouraged to return to school. She was taken to Fulbari High School, where discussions were held with the Headmaster, Rezaul Karim, regarding her re-enrollment and registration for the Kanyashree Prakalpa (Kanyashree Project).

As a gesture of support, the Dakshin Dinajpur District Legal Services Authority also provided Anisha with some notebooks and pens.


আনিশা খাতুন: স্কুলে ফেরানোর উদ্যোগ

আনিশা খাতুন, পিতা হাসান মিয়া, সাং নরসুন্দর পাড়া, পোঃ ফুলবাড়ী, থানা গঙ্গারামপুর, জেলা দক্ষিণ দিনাজপুর-এর বাসিন্দা। সে এর আগে লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে বাবা ও সৎ মা-এর সঙ্গে ভিনরাজ্যে কাজ করতে গিয়েছিল।

অনেকদিন সেখানে থাকার পর আনিশা এখন বাড়ি ফিরে এসেছে। যদিও তার আবার অন্য রাজ্যে কাজ করতে যাওয়ার কথা ছিল, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষ (Dakshin Dinajpur District Legal Services Authority)-এর অধীনস্থ পিএলভি (অধিকার মিত্র) আব্দুল রশিদ মিঞা-এর প্রচেষ্টায় আনিশা ও তার পরিবারকে বুঝিয়ে তাকে স্কুলে ফেরাতে রাজি করানো হয়েছে।

আজ, ২৫শে আষাঢ় ১৪৩২ বঙ্গাব্দ (১০ জুলাই ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ), আনিশাকে ফুলবাড়ী উচ্চবিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম মহাশয়ের সঙ্গে কথা বলে স্কুলমুখী করা হলো। একইসাথে কন্যাশ্রী প্রকল্পে তার নাম নথিভুক্ত করার বিষয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

সহায়তা হিসেবে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা আইনি পরিষেবা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আনিশাকে কিছু খাতা ও কলম প্রদান করা হয়েছে।